
চলুন, বাথরুমের হিটারগুলো নিয়ে কথা বলি (অতিরিক্ত আলো ছাড়া)।
আপনি নিশ্চয়ই জানেন, যখন আপনি বাথরুমে ঢুকে ইনফ্রারেড হিটারটি চালু করেন, তখন মনে হয় যেন একটি তীব্র আলো আপনার চোখে আঘাত করছে। এটা খুবই বিরক্তিকর। আর যদি আপনার বাড়িতে শিশু বা সংবেদনশীল চোখের মানুষ থাকে, তাহলে এই তীব্র আলোটি শুধুমাত্র বিরক্তিকরই নয়—এটা রেটিনার জন্যও ক্ষতিকর।
বেশিরভাগ হিটারই দ্রুত উষ্ণতা সরবরাহ করার জন্য শর্ট-ওয়েভ রেডিয়েশন ব্যবহার করে। সমস্যা হলো, এই “উষ্ণতা”র সাথে অনেক তীব্র আলোও আসে।
আমরা এই সমস্যার সমাধান করার জন্য কোয়ার্টজ গ্লাসে বিশেষ কোটিং ব্যবহার করেছি; এছাড়া বিশেষ ফিল্টার ব্যবহার করে সেই তীব্র আলোগুলোকে আটকানো হয়েছে।
ফলে আপনি এখনও সেই আরামদায়ক উষ্ণতা পাবেন, কিন্তু তীব্র আলো থাকবে না। এটা অনেক ভালো অভিজ্ঞতা।
বাষ্প সমস্যা
বাথরুমে ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতিগুলো ঠিকমতো কাজ করে না—বাষ্প ও জলকণার কারণে বেশিরভাগ সিলগুলো নষ্ট হয়ে যায়। এটা রোধ করার জন্য আমরা উচ্চ-তাপমাত্রার সিলিকন গ্যাসকেট ও হাউজিং ব্যবহার করেছি; এতে আর্দ্রতা ইলেকট্রনিক্যাল যন্ত্রপাতিগুলো থেকে দূরে থাকে। আর যেহেতু আমরা ছোট জায়গায় অনেক উষ্ণতা সরবরাহ করছি, তাই আমরা উষ্ণতা-প্রতিরোধী পলিমারও ব্যবহার করেছি। এতে কয়েক মাস ব্যবহারের পরও প্লাস্টিকগুলো বিকৃত হয় না।
একটি সমস্যা
তবে এখানে একটি ছোট সমস্যা রয়েছে। চোখকে রক্ষা করার জন্য আমরা নির্দিষ্ট ধরনের আলোগুলো ফিল্টার করছি; ফলে ল্যাম্পটি তার সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় পৌঁছাতে কিছুটা বেশি সময় নেয়। এটা খুব ছোট বিলম্ব। কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করলেই আপনি অনেক নিরাপদ ও আরামদায়ক আলো পাবেন। আমাদের কাছে এটাই যথেষ্ট।
যদি আপনি এগুলো কোনো বাণিজ্যিক ভবনে স্থাপন করছেন, তাহলে নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনার ব্রেকারগুলো হিটারগুলো চালু হওয়ার সময় সৃষ্ট অতিরিক্ত ভোল্টেজকে সামলাতে পারবে। সতর্ক থাকাই ভালো।